যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার পর বারবার নতুন করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের সদিচ্ছার প্রমাণ দিয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাকে (আইএইএ) দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপক সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
পেজেশকিয়ানের ভাষ্য, আইএইএর পরিদর্শকরা যখন ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেছেন, তখন এসব স্থাপনা এবং দেশটির পরমাণু বিজ্ঞানীদের পরিচয় প্রকাশ হয়েছে। এরপর ওই স্থাপনাগুলোতে হামলা এবং পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিদিন যারা হত্যা, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগ করে এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কোনো লাভ নেই।
এদিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদোল্লাহি বলেছেন, যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় তেহরান প্রস্তুত রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে এর প্রভাব সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ওপর পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট দীর্ঘ সময়ের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এ ছাড়া ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন একটি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপের সঙ্গে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেরিন সেনা ও অন্যান্য সদস্য রয়েছে। তিনটি জাহাজে প্রায় ২ হাজার নাবিকও রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এসব মোতায়েনের বিষয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়নি।

