Friday, October 23

মনছুর আলম মুন্না, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ মো. হারুন (২০) নামে আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে বুধবারের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড় (২৩) নিখোঁজ রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে রামু উপজেলার হিমছড়ির প্যাঁচার দ্বীপ সৈকত থেকে হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন হিমছড়ি মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘর এলাকার সৈকতে গোসলে নেমে স্রোতের কবলে পড়েন কয়েকজন পর্যটক। তাদের মধ্যে আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম (২৪), সাইবুল হক জিসান (২৩), চট্টগ্রামের চাকরিজীবী মোহাম্মদ আকাশ (২১) ও হারুনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূজার ছুটিতে ঢাকার উত্তরা থেকে সাত বন্ধু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে হিমছড়ির প্যাঁচার দ্বীপ জাদুঘরসংলগ্ন একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেলে তারা সমুদ্রে গোসলে নামেন। তাদের কেউই সাঁতার জানতেন না। এ সময় কয়েকজনকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে তাদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে সাত বন্ধুও স্রোতের কবলে পড়েন।

এ ঘটনায় রাকিব হাসান (১৯) নামে একজনকে জীবিত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিখোঁজ নিবিড়কে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীরা অভিযান চালাচ্ছেন।

হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সোলাইমান হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের বিচকর্মী মাহবুব আলম জানান, হিমছড়ির ওই পয়েন্টটি গোসলের জন্য নির্ধারিত নয়। সাত বন্ধু সাঁতার না জানলেও সেখানে গোসলে নেমেছিলেন।

এর আগে চলতি বছর কক্সবাজার সমুদ্রে গোসলে নেমে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী এলাকার প্রায় তিন কিলোমিটার সৈকত ছাড়া অন্য এলাকায় লাইফগার্ড সেবা নেই বলেও জানা গেছে।

Leave A Reply


Math Captcha
42 + = 43