গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-রাশিদ সড়কে একটি গাড়িতে ড্রোন হামলায় গাজার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল আবু কামিল (৪৩) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার গাড়িটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আবু কামিল নিহত হন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আবু কামিলকে তারা ‘হুমকি’ হিসেবে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। তাদের দাবি, তিনি হামাসের একজন কমান্ডার ছিলেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
গাজার পুলিশ বাহিনী ইসরায়েলের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আবু কামিল পুলিশের দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত ছিলেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল না।
হামাসও এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। দলটির ভাষ্য, এটি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান হামলার ধারাবাহিকতা এবং গাজায় বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরির প্রচেষ্টার অংশ।
এদিকে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসেও একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের একজন নিহত এবং অন্যজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন গাজায় ঘোষিত এক দফা বিমান হামলা বিরতি শেষ হওয়ার পর নতুন করে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। তবে যুদ্ধবিরতির সময়ও প্রাণঘাতী স্থল হামলা বন্ধ ছিল না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

