Friday, August 14

ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন চলাকালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইরানি এজেন্টরা—এমন চাঞ্চল্যকর দাবি উঠে এসেছে এক প্রতিবেদনে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের সময় ট্রাম্প যে হোটেলে অবস্থান করছিলেন, তার নির্দিষ্ট তলার তথ্য ইরানি এজেন্টদের হাতে পৌঁছে যায়। একই সময়ে ট্রাম্পকে বহনকারী বিমান লক্ষ্য করে ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতির তথ্যও পায় মার্কিন গোয়েন্দারা।

এ ছাড়া সম্মেলনস্থলের কাছাকাছি কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

হুমকির মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে ট্রাম্পকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সিক্রেট সার্ভিস অভিনব কৌশল নেয়। প্রথমে তাকে প্রকাশ্যে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ তোলা হয়। পরে গোপনে তাকে একটি ক্যাটারিং কন্টেইনারে লুকিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের করে অন্য একটি সামরিক বিমানে করে তুরস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এদিকে মূল ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ যথারীতি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হয়। বিমানে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও এই গোপন উদ্ধার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প পরে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে আবার ওই বিমানে যোগ দেন, যাতে বাইরে থেকে মনে হয় তিনি পুরো পথ একই বিমানে ছিলেন।

তবে প্রেসিডেন্টকে আলাদা করে সরিয়ে নেওয়ার এই কৌশল নিয়ে হোয়াইট হাউসের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, এতে বিমানে থাকা অন্য যাত্রীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হতে পারে।

অন্যদিকে ট্রাম্প সমালোচনা নাকচ করে জানিয়েছেন, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করেছেন এবং বিমানে থাকা অন্য যাত্রীরা কোনো মারাত্মক বিপদের মধ্যে ছিলেন না।

Leave A Reply


Math Captcha
1 + 7 =