Thursday, August 20

সোশ্যাল মিডিয়ায় পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

এ সময় তার প্রধান সহযোগী হিসেবে খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়। একই মামলায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, মেয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত থাকা এবং সেখান থেকে অর্থ নেওয়ার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে এসব ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করা হতো।

প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্তের পর ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে রমনা মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার তদন্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।

Leave A Reply


Math Captcha
86 − 79 =