Saturday, November 7

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে গরু-ছাগলের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা না থাকায় হতাশ বিক্রেতারা। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ঘুরে দেখা গেছে, হাটে পশুর সংখ্যা বেশি হলেও বেচাকেনা এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি।

ক্রেতাদের ঝোঁক এবার ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দিকে। বিক্রেতারা বলছেন, পশুখাদ্য, পরিবহন ও লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা বেশি দাম চাইলেও ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে পশু কিনতে চাইছেন। অনেকেই শুধু হাটে এসে দাম যাচাই করে ফিরে যাচ্ছেন।

গাবতলী পশুর হাট, দিয়াবাড়ী পশুর হাট, কমলাপুর পশুর হাট ও তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠ-সংলগ্ন হাটগুলোতে কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলা থেকে গরু-মহিষ আনা হয়েছে। বড় আকারের দেশি গরু দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও বিক্রি তুলনামূলক কম।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা এক বেপারী জানান, ক্রেতারা এখনও কম। তবে ঈদের আগের দুই দিনে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।

সিলেট-এও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি পশুর হাট। সিটি করপোরেশনের স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রংপুর অঞ্চলের অনেক হাটে ক্রেতার চেয়ে পশুর সংখ্যা বেশি। তবে শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়বে বলে আশাবাদী বিক্রেতারা।

রাজশাহী-তে অনেক ক্রেতা এবার সরাসরি খামার থেকে গরু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। অতিরিক্ত হাসিল, দালালের উৎপাত ও হাটের ভিড় এড়াতে অনেকে খামারমুখী হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে বগুড়া-য় বেশ জমে উঠেছে পশুর হাট। তবে সেখানে সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রাম-এ বিপুল পশু সরবরাহ থাকলেও বেচাকেনা এখনো মন্থর। আর খুলনা অঞ্চলে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ময়মনসিংহ ও বরিশাল অঞ্চলেও একই চিত্র দেখা গেছে। খামারিরা আশা করছেন, ঈদের আগের শেষ দুই দিনে বাজারে ক্রেতা বাড়বে এবং জমে উঠবে বেচাকেনা।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 75 = 84