Sunday, November 8

গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লা–এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল ৪টার দিকে লৌহজং উপজেলার গৌরদড় এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ফোরকানের বলে শনাক্ত করেছেন।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মো. ইলিয়াস জানান, পদ্মা সেতু থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে নৌ পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফোরকানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

ফোরকানের ভাই আব্দুল জব্বার এবং কাপাসিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জুবায়ের রহমান প্রাথমিকভাবে মরদেহটি ফোরকানের বলে নিশ্চিত করেছেন। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি একটি প্রাইভেটকার থেকে নেমে নিজের মোবাইল ফোন ফুটপাতে রেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর সেতুর রেলিং টপকে নদীতে ঝাঁপ দেন। ভিডিওটি ফোরকানের পরিবার ও মামলার বাদীকে দেখানো হলে তারা ধারণা করেন, ওই ব্যক্তিই ফোরকান।

পরে তদন্তে জানা যায়, ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি ঢাকার পল্টন এলাকার একটি রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া মেহেরপুরে এক বাস হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

Leave A Reply


Math Captcha
38 − = 37