Sunday, November 8

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেছে ঢাকা। একইসঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে তাদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে সম্মতি জানিয়েছে ভারত।

বুধবার (৮ এপ্রিল) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দিল্লিতে পৌঁছে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গেও বৈঠক করে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে। পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও দুই দেশের স্বার্থের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ ইস্যু। শহীদ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার করায় ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান ড. রহমান। উভয় পক্ষ একমত হয় যে, বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর দাবিও পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।

এদিকে বাংলাদেশি নাগরিকদের দীর্ঘদিনের ভিসা জটিলতা নিরসনে ইতিবাচক আশ্বাস দেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।

জ্বালানি ও কৃষি খাতে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। ভারতের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে এর পরিমাণ বৃদ্ধি এবং সার সরবরাহের কোটা বাড়ানোর অনুরোধ করেন ড. খলিলুর রহমান। জবাবে ভারত সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বলে জানান মন্ত্রী হারদীপ পুরি।

Leave A Reply


Math Captcha
1 + 8 =