কুমিল্লার সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহী বাস ও চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন।
নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার লাইজু আক্তার (২৬) এবং তার দুই মেয়ে—খাদিজা আক্তার (৬) ও মরিয়ম আক্তার (৪) রয়েছেন।
এ ছাড়া নিহতরা হলেন—
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বাবুল চৌধুরী (৫৩), সুধারাম থানার নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), চাঁদপুরের কচুয়ার তাজুল ইসলাম (৬৮), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সায়েদা (৯), ঝিনাইদহ সদর উপজেলার জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার ফসিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের সোহেল রানা (৪৬), যশোরের চৌগাছার সিরাজুল ইসলাম (৬২) এবং তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৫৫)।
এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) রাত ২টা ৫৫ মিনিটে পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী মামুন পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রেলক্রসিং পারাপারের সময় অসতর্কতার কারণেই এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

