Friday, November 6

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম।

এর আগে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর খবর প্রকাশিত হয়। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্যরা হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

এদিকে আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও এর আগে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করেছিল দুদক। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তদবির-বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রায় ১১ মাস অনুসন্ধানের পর গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন তিনি। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত ভোটে অংশ নেননি। আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাকে সমর্থন করেছে এনসিপি।

Leave A Reply


Math Captcha
59 − = 54