চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসীর বাড়ি এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেজুরতলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন প্রথমে একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়াকে বিয়ে করেন। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমাকে বিয়ে করেন।
অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে রফিউদ্দিন গোপনে আবার প্রথম স্ত্রী ছনিয়াকে বিয়ে করে তাকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বিরোধের জের ধরে রোববার সকালে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা একটি এক্সকাভেটর এনে রফিউদ্দিনের বসতবাড়ির দেয়াল, কক্ষ ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলেন। বাড়ি ভাঙার সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিদেশে অবস্থানরত রফিউদ্দিন দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার বাড়ি ভাঙচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
অভিযুক্ত মুকুল হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

