নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিগত সময়ে মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে চরম মানবধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। তিনি আইনের শাসন ও মানবধিকার সুরক্ষায় বলিষ্ঠ ভুমিকা পালন করবেন।


বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ৭৭তম আন্তজাতিক মানবধিকার দিবস-২০২৫ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ মানবধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


বাংলাদেশ মানবধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডভোকেট মো. জাফর হায়দারের সভাপতিত্বে সংগঠনের অতিরিক্ত মহাসচিব নুর উদ্দীন খান সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) মো. হুমায়ুন কবির। সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল হক ভূইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও গবেষক আমিনুরর রসুল বাবুল। উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা এডভোকেট আশরাফী বিনতে মোতালেব, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, বেস্ট ই-কর্মাস প্ল্যাটফর্মের ফাউন্ডার এডমিন রোকসানা রলি।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মহিউদ্দিন স্বপনম ভাইচ চেয়ারম্যান আবু হানিফ, নগরের আহবায়ক আবু হানিফ মাসুদ, মো. গোলাম ছরোয়ার, ওমর ফারুক চৌধুরী, মো. নাছির উদ্দীন জসীম, অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জিপি এডভোকেট মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলা বারের সাবেক আইটি সম্পাদক এডভোকেট রাশেদ চৌধুরী, নারী নেত্রী বিলকিছ বেগম, হ্যাপী, জুই, কুলসুমা, মানবধিকার সংগঠক বেলাল আহমেদ, জাকির হোসেন, মুন্না, ডা. রবিউল, আবদুর রহমান সবুজ, কাজী আবদুস সোবাহান, জাহাঙ্গীর হোসেন, নেজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ বেলাল চৌং, রাজু, মোহাম্মদ হাসান, মোঃ সেলিম, রিনা বেগম, নুরুল হক নুরু প্রমুখ।


বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ঘোষিত সর্বজনীন ঘোষনার ত্রিশটি অনুচ্ছেদ পালন অঙ্গীকারবদ্ধ। ইতোমধ্যে মানবধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের নয়টি মূল আর্ন্তজাতিক চুক্তির সবগুলোতে বাংলাদেশ যোগ দিয়েছে যার সর্বশেষটি হল— গুম বিষয়ক আর্ন্তজাতিক কনভেশন, যুক্ত আছে আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থার সব মূল কনভেনশনে যা শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক।

হুমায়ন কবির বলেন, মানবধিকারের প্রকৃত চেতনা ধারণ করতে হবে। আমাদের চারপাশে নানা সমস্যা রয়েছে। সমাজের বিত্তবানদের তাদের পাশে দাড়াতে হবে। মানবধিকার সংগঠনগুলো মিডিয়া কভারেজের চাইতে মানব কল্যাণে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট জাফর হায়দার বলেন, ‘অসাম্য দূর কর, মানবধিকার সুরক্ষা’ করতে সকলের সম্মেলিত প্রচেষ্টা আবশ্যক। দিবসের তাৎপর্য্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্য হলো, আমরা কতটুকু মানবধিকার সমুন্নত রাখতে সক্ষম হয়েছি তা পর্যালোচনা করা। আমাদের সকলকে মানবধিকারের চেতনা ধারণ করতে হবে। তবেই আমারা সভ্য জাতিতে পরিণত হব।

Leave A Reply


Math Captcha
28 + = 38