মনছুর আলম মুন্না, কক্সবাজার
শারদীয় দুর্গোৎসব ও প্রবারণা পূর্ণিমার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকে মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ ইতিমধ্যে বুকিং হয়েছে। আজ বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। একই সঙ্গে হিমছড়ি, ইনানী ও মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।
সৈকতে পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত বিচ কর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের তিনটি পয়েন্টে অন্তত ৮০ হাজার পর্যটক নেমেছেন। বুধবার থেকে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পাঁচ তারকা মানের হোটেল কক্স টুডের জেনারেল ম্যানেজার আবু তালেব শাহ জানান, হোটেলটির ২৪৫টি কক্ষের ৯০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। মূলত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অতিথির চাপ বেশি থাকবে। অন্যদিকে মাঝারি মানের হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষও বুকিং রয়েছে।
হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।
এদিকে জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পাল জানান, লাবণী পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমা বিসর্জন দেখতে পূজারি, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক মিলিয়ে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, পর্যটক ও পূজার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

