দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি। আপিল বিভাগ বিষয়টি ‘নট টু ডে’ বলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শুনানির জন্য রেখে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান। অন্যদিকে আবেদনকারী নাহিদ ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।

আইনজীবীরা জানান, ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নাহিদ ইসলামের করা আপিলের শুনানি নির্বাচন শেষে অনুষ্ঠিত হবে। ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে এ আবেদন করেছেন।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। সে সময় রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয় এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

এর আগে নির্বাচন কমিশন ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম—উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করে।

Leave A Reply


Math Captcha
30 + = 34