স্টাফ রিপোর্টার:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির ২০ নেতাকে বহিষ্কার করেছে দলটি। এ নিয়ে গত এক মাসে দুই বিদ্রোহী প্রার্থীসহ মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিল বিএনপি।

এদিকে মানিকগঞ্জ-১ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক উপজেলা আহ্বায়ককে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং আরও ৯ নেতাকে শোকজ করা হয়েছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল সোনারগাঁ থানা বিএনপির ৬ জন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির ১৪ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির কমিটি স্থগিত করা হয়। সাত দিন পর সংশ্লিষ্ট ১৪ নেতার বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। দলীয় সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত নেতারা এই আসনে দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছিলেন।

এর আগে, গত ৩০ ডিসেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ২১ জানুয়ারি বহিষ্কার করা হয় আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিমকে।

এ ছাড়া গত ২৮ জানুয়ারি সোনারগাঁ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শহীদুর রহমান স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল হোসেন, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান আপেল এবং বারদী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দুলুকে বহিষ্কার করা হয়।

মানিকগঞ্জে বহিষ্কার ও শোকজ

মানিকগঞ্জ-১ আসনের (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) তিন উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়া দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আল-আমিন হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর এবং দলের বিদ্রোহী প্রার্থী তোজাম্মেল হক তোজা।

দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

(প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা)

Leave A Reply


Math Captcha
88 − 87 =