সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। শনিবারের ওই হামলায় ১২ জন নিহত ও অন্তত ৩০০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া সৌদি আরবের আরও কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবিও করেছে গোষ্ঠীটি। খবর আলজাজিরার।
রোববার এক বিবৃতিতে হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একাধিক অভিযান চালিয়েছে তাদের গোষ্ঠী। এসব হামলার কারণে বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং একপর্যায়ে এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। রোববারও বিমানবন্দরটি বন্ধ ছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইয়াহিয়া সারি আরও জানান, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পেট্রল স্টেশন, দেশটির পূর্বাঞ্চলের একটি তেল শোধনাগার এবং দাম্মামের কিং ফাহদ বিমানবন্দর ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো দেশের ওপর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
এদিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনালে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হানার খবর জানিয়েছে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এতে টার্মিনালটিতে আগুন ধরে যায়।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, বিমানবন্দরের ৪ নম্বর যাত্রী টার্মিনালে বস্তুটি আঘাত হানে। আগুন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এ ছাড়া বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। যাত্রী টার্মিনালে আঘাতের ঘটনার পর ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

