ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জনপথ ও কর্তব্য পথের চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়ে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কনট প্লেস, মান্ডি হাউস, প্রগতি ময়দান ও খান মার্কেটের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এর আগে গত জুলাই মাসেও একটি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল।
ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি
এদিকে বিক্ষোভ ঘিরে জনজীবনে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপের সমালোচনা করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যেতে পারে; তবে সবকিছু পুরোপুরি বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলা গ্রহণযোগ্য নয়।
আদালত বলেছে, তরুণ থেকে শুরু করে বয়স্ক—সবারই চলাচল ও মৌলিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপত্তির পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিধিনিষেধগুলো পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেট্রো স্টেশনে কড়াকড়ি, ট্রেন বাতিল
সমাবেশকে কেন্দ্র করে দিল্লির প্রায় ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ বন্ধ রাখা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে রাজধানীগামী ৬০টির বেশি ট্রেন বাতিল করার খবরও পাওয়া গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

