হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার মুখে সারজিস আলম সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় আশ্রয় নিলে প্রায় এক ঘণ্টা তাঁকে সেখানে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। অন্যদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হামলার পর দ্রুত সার্কিট হাউসে গিয়ে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
এ ঘটনায় এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, বিকেল ৫টায় হবিগঞ্জ শহরের টাউনহলের সামনে এনসিপির একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। তাঁর গাড়ির পেছনে থাকা সারজিস আলমের গাড়িতেও হামলা চালানো হলে তিনি দ্রুত সোনালী ব্যাংকে আশ্রয় নেন।
সারজিস আলম ব্যাংকের ভেতরে অবস্থান করছেন—এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ব্যাংকটি ঘেরাও করেন। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাঁকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এনসিপি নেতারা বিএনপিকে দায়ী করেছেন। তবে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান দাবি করেছেন, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণেই নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে।

