নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা-র বাহাদুরপুর গ্রাম-এ চারজনকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিচার দাবি করেছেন নিহত পপি সুলতানা-র মা সাবিনা বেগম।
তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন করা হতো। প্রায় ১৩-১৪ বছর আগে মেয়ের বিয়ে দেন তিনি। তাদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে ছিল। পারিবারিক কলহ ও জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সাবিনা বেগম বলেন, কয়েকদিন আগেও মেয়েকে মারধরের ঘটনা ঘটে এবং বিষয়টি থানায় গিয়েছিল। পরে গ্রাম্য সালিশে আপস হলেও বিরোধ থামেনি। জমি বণ্টন নিয়েই মূল দ্বন্দ্ব তৈরি হয় বলে তার দাবি। তার অভিযোগ, পাঁচ ননদ ও তাদের স্বামীরাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
তিনি জানান, ঘটনার রাতেও মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। নাতি পিঠা খেতে চাইছিল—এ কথা বলার পর পরদিন বানিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল মেয়ে। “আমি প্রতিদিন কথা বলি। কথা না বলে ঘুমাই না। ওরা সবাই মিলে আমার মেয়ের পরিবার শেষ করে দিল। আমি সবার ফাঁসি চাই”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি। 😭
এ ঘটনায় নিহতরা হলেন—
- হাবিবুর রহমান (৩২)
- তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫)
- ছেলে পারভেজ (৯)
- মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)
সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তাদের বসতবাড়ি থেকে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

