Sunday, November 8

সোমবার (১৮ মে) সকাল ৭টায় গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর গ্রামে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার–এর শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নানির বাগানবাড়ির আঙিনায় তাকে দাফন করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় রোববার রাতের আনুষ্ঠানিকতা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাতেই কারিনার মরদেহ গজারিয়ায় নেওয়া হয়। তার নানা বাড়ি পুরান বাউশিয়া গ্রামে হলেও নানি ডা. জোহরা খানম পারুল–এর আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাগানবাড়িতে মরদেহ রাখা হয় এবং সেখানেই দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

প্রিয় তারকাকে শেষ বিদায় জানাতে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করা হলেও পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পরিবেশে সম্পন্ন হয়। সেখানে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমকর্মীদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

দাফনের পর কারিনার ছোট ভাই সাদাত হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকায় তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে গণমাধ্যম উপস্থিত ছিল। তবে দাফনের সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিডিয়াকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত লোকসমাগম ও প্রচার থেকে দূরে থাকতেই পরিবার গ্রামে দাফনের সিদ্ধান্ত নেয়।

লিভারজনিত জটিলতায় গত শুক্রবার ভারতের চেন্নাই–এর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কারিনা। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনা খরচে তার মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করে।

রোববার বিকেলে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে বাবা কায়সার হামিদসহ স্বজনরা অশ্রুসিক্ত নয়নে তা গ্রহণ করেন। এরপর ঢাকায় জানাজা ও শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ গজারিয়ায় নেওয়া হয়।

কারিনা কায়সার ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির কন্যা।

Leave A Reply


Math Captcha
5 + 1 =