Sunday, November 8

শাজনীন তাসনিম রহমানের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ২৩ এপ্রিল। ১৯৯৮ সালের এই দিনে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ১৫ বছর বয়সী এই কিশোরীকে। সে সময় শাজনীন স্কলাসটিকা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

শাজনীন তাসনিম রহমান ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমানের মেয়ে। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। তাঁর বড় বোন সিমিন রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শাজনীন হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গৃহকর্মী শহীদুল ইসলাম (শহীদ), ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান, তাঁর সহকারী বাদল, গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন (মিনু) ও পারভীন এবং কাঠমিস্ত্রি শনিরাম মণ্ডল।

পরবর্তীতে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে গেলে ২০০৬ সালের ১০ জুলাই শনিরাম মণ্ডলকে খালাস দেওয়া হয় এবং বাকি পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। এরপর চার আসামি—হাসান, বাদল, মিনু ও পারভীন আপিল করলে আপিল বিভাগ তাদের খালাস দেন।

অন্যদিকে, শহীদুল ইসলাম জেল আপিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাঁর করা রিভিউ আবেদনও আপিল বিভাগে নাকচ হয়। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর রাতে শহীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

আজও শাজনীন হত্যাকাণ্ড দেশের আলোচিত অপরাধগুলোর একটি হিসেবে স্মরণ করা হয়।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 41 = 47