Sunday, November 8

ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫২ হাজার ৩০০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ–এ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন–এর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।

মন্ত্রী জানান, বকেয়ার মধ্যে রয়েছে—

  • পেট্রোবাংলা–র কাছে ১১ হাজার ৬৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকা
  • ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বকেয়া ৩ হাজার ৮৯১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা
  • গ্যাস ও জ্বালানি তেলভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি ও ফুয়েল পেমেন্ট বাবদ ১৭ হাজার ৩৫৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা
  • জয়েন্ট ভেঞ্চার ও কয়লাভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা মূল্য ও ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বাবদ ১৫ হাজার ৪৫২ কোটি ৯১ লাখ টাকা
  • সরকারি কোম্পানির ক্যাপাসিটি ও ফুয়েল পেমেন্ট বাবদ ৫ হাজার ৬২৩ কোটি ৩ লাখ টাকা
  • ফুয়েলিং চার্জ বাবদ ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা

এ ছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ব্যাংকের কাছে ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৩১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বলেও জানান তিনি।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কুইক রেন্টাল প্রকল্পের নামে লুটপাট ও বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য আবদুল বারী সরদার–এর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের সব বিদ্যুৎ গ্রাহককে শতভাগ প্রি-পেমেন্ট মিটারের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে শতভাগ প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন সম্পন্ন হলে মিটার রিডারের প্রয়োজনীয়তা বিলুপ্ত হবে।

সরকারি দলের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল–এর প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী বড় ধরনের লোডশেডিং না থাকলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, গ্রীষ্মকালে চাহিদা বৃদ্ধি, জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং ঝড়-বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎবিভ্রাট হতে পারে।

Leave A Reply


Math Captcha
60 + = 63