মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত দুই দিনে (শনিবার ও রবিবার) মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ ও ৫ এপ্রিল দুই দিনে মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৪টি এরাইভাল ও ৩টি ডিপার্চারসহ মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ ৪টি ফ্লাইট এবং সালাম এয়ারের ওমান রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ আরও ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
তবে ফ্লাইট বাতিলের মধ্যেও গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৩টি এরাইভাল এবং ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট চালু ছিল।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত প্রবাসীদের যাতায়াতে ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

