Monday, November 9

গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। ফলে অধ্যাদেশটি আগামী ১২ এপ্রিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। দলটির মতে, অধ্যাদেশ ব্যবহার করে গণভোট ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে এর প্রয়োজন নেই এবং এতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট অবৈধ হবে না।

তবে সরকারি দলের এই সিদ্ধান্তে ভিন্নমত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গণভোট অধ্যাদেশ ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তত ১৫টিতে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতৈক্য হয়নি। মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশে পরিবর্তনের প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে জামায়াত।

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদিত না হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আভাস দেন, গণভোট অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে না। তিনি বলেন, গণভোট হয়ে গেছে এবং অধ্যাদেশটির আর ভবিষ্যৎ ব্যবহার নেই, তাই এটিকে আইনে পরিণত করার প্রয়োজন নেই।

অন্যদিকে জামায়াতের এমপি রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গণভোটসহ মানবাধিকার কমিশন ও বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মতো ১৫টি অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধনের বিষয়ে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। তার মতে, গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ থাকায় এর রায় কার্যকর করা উচিত।

বিশেষ কমিটি আগামী ২ এপ্রিল সংসদে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী কোন অধ্যাদেশ অনুমোদিত হবে, সংশোধিত হবে বা বাতিল হবে—তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

Leave A Reply


Math Captcha
78 − = 70