জ্বালানি তেল নিয়ে চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের গাড়ির জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর চিন্তা করছে সরকার। বিষয়টি নিয়ে জ্বালানি বিভাগ কাজ শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে এবং দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের চাহিদা মেটাতে সীমিত সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এই ব্যবস্থায় মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক ও বাস তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। প্রতিটি কার্ডে একটি কিউআর কোড থাকবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থা চালু করতে কিছু সময় লাগবে।
ফুয়েল কার্ড কী?
ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড হলো পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ পেমেন্ট কার্ড। এটি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করে এবং জ্বালানি খরচ ট্র্যাকিং, নিয়ন্ত্রণ ও নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা দেয়।
ফুয়েল কার্ডের সুবিধা
- সহজ পেমেন্ট: ফিলিং স্টেশনে সহজে লেনদেন করা যায় এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকে।
- খরচ নিয়ন্ত্রণ: নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা যায় এবং ডিজিটাল রিপোর্ট পাওয়া যায়।
- নিরাপত্তা: নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অপব্যবহার কমে।
- সময়ের সাশ্রয়: কাগজের রসিদ সংরক্ষণের ঝামেলা কমে এবং এককালীন বিল পাওয়া যায়।
সরকার মনে করছে, জ্বালানি সরবরাহ সীমিত হলে এই কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থা জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সহায়ক হবে।

