Friday, November 6

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর প্রতিশোধ হিসেবে স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়। তার দাবি, এ ঘটনায় বিএনপির লোকজন জড়িত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

হামলার সময় স্টুডিওতে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, আসবাব ও সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্টুডিওর কর্মকর্তাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও নিয়ে গেছে।

স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় এক থেকে দেড়শ লোক সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। তাদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্টুডিওর কয়েকজন কর্মকর্তা টয়লেটে গিয়ে আত্মগোপন করেন। পরে হামলাকারীরা সেখানেও গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না সালমান মুক্তাদির। খবর পেয়ে তিনি ঢাকায় ফিরে স্টুডিওতে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেন এবং পরে ফেসবুক লাইভে বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্টুডিওতে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের শুটিংয়ের ফুটেজ, সরঞ্জাম ও কাজের উপকরণ ছিল। সেগুলোর কিছু নিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বড় হতে পারে বলে জানান তিনি।

সালমান মুক্তাদির বলেন, স্টুডিওটি তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গা ছিল। হামলায় সেটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তিনি কাজ বন্ধ করবেন না। কর্মীদেরও স্বাভাবিক হয়ে কাজে ফেরার আহ্বান জানান তিনি।

হামলার ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আহত হননি বলে জানিয়েছেন সালমান মুক্তাদির। তিনি এ ঘটনায় মা’মলা করার কথাও জানিয়েছেন।

তবে হামলাকারীদের পরিচয়, হামলার প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এবং এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো গ্রে’প্তার বা মা’মলার তথ্য পাওয়া গেছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়গুলো তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

Leave A Reply


Math Captcha
81 − = 71