গ্যাস সংকটের মধ্যেই শিল্প খাতের বরাদ্দ কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিরিক্ত ২০–২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। এতে শত শত শিল্পকারখানা উৎপাদন চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশে মোট ২১৯ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৯৫ কোটি ঘনফুট বরাদ্দ দেওয়া হয়। শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ৮০–৮৫ কোটি ঘনফুট।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিল্পের গ্যাস কমানোর বদলে দৈনিক ৫৪–৬০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানো হলে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে শিল্প খাতকে সংকটে না ফেলেও লোডশেডিং কমানো যেত।
এদিকে এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একাধিক উৎস খোঁজা এবং মাতারবাড়ীতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও একটি এলপিজি টার্মিনাল স্থাপনের পাশাপাশি পায়রায় একটি এফএসআরইউ বসানোর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম বলেন, শিল্পকে বাঁচাতে প্রয়োজনে ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো উচিত। তাঁর মতে, তা না হলে শিল্প খাতের ক্ষতির প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়তে পারে।

