Friday, November 6

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। তিনি জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আর কখনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা বা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং ৫ আগস্টকে এখন ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের মানুষ গুম, খুন, হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল।

বাণীতে তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা, শ্রমিক, কৃষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। আন্দোলনে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন এবং তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। মতপার্থক্য গণতন্ত্রের অংশ হলেও তা যেন বিভেদে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বাণীর শেষে তিনি বলেন, ১৯৭১ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম। তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 19 = 25