Saturday, November 7

সরকার আগামী ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। সেই আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ আগস্ট ভোর ৬টায় শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে এবং শহীদ ও আহত পরিবারের কয়েকজন সদস্য বক্তব্য রাখবেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মরণে রংপুরে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণেও একই দিনে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। সেখানে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাকে স্মরণ করে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। ‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ নামে এ প্রদর্শনী চারুকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘরের সামনের উন্মুক্ত স্থান বা শাহবাগ স্কয়ারে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

Leave A Reply


Math Captcha
3 + 4 =