Saturday, October 24

চট্টগ্রামে দোকান থেকে অপহরণের চার দিন পর কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ সংলগ্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে জীবিত উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‘আল্লাহ আমাকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ। বাংলাদেশের মানুষের পুলিশের প্রতি আস্থা রাখা উচিত।’ চার দিনের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন অপহৃত ব্যবসায়ী হাসান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বন্দিদশায় তার চোখ ও হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল। অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখানোর পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তাকে হুমকি দেওয়া হতো। প্রায় চার দিনে তাকে মাত্র একবার খাবার দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

দোকান থেকে তুলে নেওয়া হয় ব্যবসায়ীকে

গত ১৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি প্রেমবাজারে নিজের হার্ডওয়্যারের দোকান মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজে বসে ছিলেন হাসান। এ সময় কালো পোশাকের ওপর ‘এসআরবি’ লেখা কটি পরা, মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপধারী চার-পাঁচজন ব্যক্তি দোকানে প্রবেশ করে।

তারা নিজেদের এসআরবি সদস্য পরিচয় দিয়ে হাসানকে হ্যান্ডকাফ পরায়। পরে তার মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে জোর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়। এরপর একের পর এক যানবাহন বদলে তাকে কক্সবাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপহরণকারীরা তাকে বিভিন্ন বাড়িতে আটকে রেখে চোখ ও হাত বেঁধে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এদিকে অপহরণের পর তার স্ত্রী ও দোকানের ব্যবস্থাপকের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

সিসিটিভি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান

ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে নামে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বাঁশখালী থানা পুলিশ। পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান এবং ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়।

পুলিশ জানায়, মুক্তিপণের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো ভুয়া ও ভিআইপি হওয়ায় সেগুলোর সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া কঠিন ছিল। এ অবস্থায় সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয়দের তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য সমন্বয় ক

Leave A Reply


Math Captcha
2 + 8 =