পাবনার আতাইকুলায় এক শিশুকে ধ’র্ষণচেষ্টার অ’ভিযোগে সাইফুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়ি ও চায়ের দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ওই শিশুকে ডেকে নেন সাইফুল। পরে তাকে ধ’র্ষণচেষ্টার অ’ভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেয়ে এগিয়ে এলে সাইফুল সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ও চায়ের দোকানে ভাঙচুর চালান। একপর্যায়ে চায়ের দোকানে আগুনও দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, শিশুটিকে ডেকে নিয়ে ধ’র্ষণচেষ্টার অ’ভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এর মধ্যে স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর এবং দোকানে আগুন দেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনার পর অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে আ’টক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা লিখিত অ’ভিযোগ দিচ্ছেন। অ’ভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কুলনিয়া গ্রামে ১০ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে ধ’র্ষণের পর হ’ত্যার অ’ভিযোগ ওঠে। ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার ম’রদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় মোস্তফা ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াসিনকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা কয়েক দফায় অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

