থালাপতি বিজয় শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় আরভি আর্লেকার-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। সরকার গঠন নিয়ে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে তিন দিনের ব্যবধানে এটি তাদের তৃতীয় বৈঠক।

সূত্রের দাবি, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে সক্ষম হয়েছেন বিজয়। কংগ্রেসের পাঁচজন, বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচ্চি (ভিসিকে)-এর দুইজন, সিপিআই(এম)-এর দুইজন এবং সিপিআই-এর দুইজন সদস্যের সমর্থন পেয়ে তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ১১৮ আসন অতিক্রম করেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে বুধবার ও বৃহস্পতিবারও বিজয় এবং রাজ্যপালের মধ্যে বৈঠক হয়। তবে উভয় দিনই সরকার গঠনের দাবি নাকচ করে দেন রাজ্যপাল আর্লেকার। তার দাবি ছিল, বিধানসভায় প্রয়োজনীয় সমর্থন নেই বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্ত্রি কাঝাগম (টিভিকে)-এর।

গত মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আত্মপ্রকাশ করেই বড় সাফল্য পায় টিভিকে। ২৩৪ আসনের বিধানসভায় দলটি ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝাগম (ডিএমকে) এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝাগম (এআইএডিএমকে)-এর আধিপত্যে বড় ধাক্কা দেয় দলটি।

তবে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ১০ আসন পিছিয়ে ছিল বিজয়ের দল।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে রাজ্যপাল বিজয়ের কাছে জানতে চান, “মাত্র ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন” এবং “আর কোন দলগুলো আপনাদের সমর্থন করবে।”

যদিও বিজয়ের উত্তরে সন্তুষ্ট হননি তিনি।

এদিকে কংগ্রেসের সমর্থন নিশ্চিত হলেও শর্ত ছিল, টিভিকে যেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র মতো “সাম্প্রদায়িক শক্তি”র সঙ্গে জোট না করে।

অন্যদিকে ভিসিকে ও বাম দলগুলোর সমর্থন নিয়েই মূল রাজনৈতিক নাটক তৈরি হয়েছে। কারণ নির্বাচনের আগে এসব দল ডিএমকের জোটসঙ্গী ছিল।

Leave A Reply


Math Captcha
65 − = 58