চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান অচলাবস্থা ও রোববার থেকে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালীন ধর্মঘট প্রত্যাহারের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টাকে দেওয়া খোলা চিঠিতে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ-র নেতারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে বন্দরে ধর্মঘট শুরু হলে দেশের অর্থনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের ৯৯ শতাংশ কনটেইনার এবং ৭৮ শতাংশ সমুদ্রপথের বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হলে তৈরি পোশাকসহ সব প্রধান রফতানি খাত অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এছাড়া রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামালবাহী জাহাজ খালাস না হলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে।

বিজিএমইএ-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান, বিইএফ-এর সভাপতি ফজলে করিম এহসান, বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও বিটিএমএ-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বন্দরের কর্মচারী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনকারীদের চলমান বিরোধের কারণে জাহাজ জট ও কার্যক্রম স্থগিত হচ্ছে, যা প্রতিদিন আমদানিকারকদের বিপুল অর্থ ‘ডেমারেজ চার্জ’ হিসেবে দিতে বাধ্য করছে। ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করেছেন, জাতীয় নির্বাচনের এই ৪ দিন আগে সরবরাহ ব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত কাম্য নয়।

Leave A Reply


Math Captcha
39 − 37 =