রাজধানী ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। সর্বশেষ বায়ুমান পর্যবেক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, সকালে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ১৪৭-এর কাছাকাছি ছিল, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণির মধ্যে পড়ে।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সকালে ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক বেশি রয়েছে। দিনের সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি হওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও সকাল ও দিনের শুরুর সময়ে দূষণের চাপ বেশি থাকতে পারে।
বায়ুদূষণের এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় খোলা জায়গায় অবস্থান এবং ব্যস্ত সড়কে দূষিত বাতাসের মধ্যে চলাচল করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও নির্মাণকাজের এলাকায় ধুলাবালু, যানবাহনের ধোঁয়া এবং বিভিন্ন উৎসের দূষণ ঢাকার বায়ুমানের ওপর চাপ তৈরি করে। শুষ্ক আবহাওয়া ও বাতাসের গতি কম থাকলে দূষিত কণাগুলো বাতাসে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার প্রবণতাও বাড়ে।
এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর্দ্রতাও তুলনামূলক বেশি থাকায় বাইরে বের হলে গরম ও ভ্যাপসা অনুভূতি তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে গেলে অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান না করা, ব্যস্ত ও ধুলোময় সড়ক এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিদের সতর্ক থাকা জরুরি।
রাজধানীর বায়ুর মান নিয়ন্ত্রণে নির্মাণস্থলে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, সড়কে নিয়মিত পানি ছিটানো, যানবাহনের কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ এবং দূষণের উৎসগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন পরিবেশসংশ্লিষ্টরা।
সর্বশেষ তথ্য বলছে, ঢাকার বাতাসের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয়। ফলে দিনের শুরুতে বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে নগরবাসীকে বায়ুমানের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

