দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উদ্দেশ্য অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নয়, বরং চরিত্র হনন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে দুদকে করা অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুদক যদি স্বাভাবিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধান করে, তাহলে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। তবে তাকে হেয় করতে এবং মিডিয়া ট্রায়ালের জন্য দুদককে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকে করা অভিযোগের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা বিভিন্ন তথ্য ও নথিপত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা দাবি করে আসিফ মাহমুদ বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মানুষের পক্ষে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।
বিএনপি সরকারের আমলের বদলি ও পদোন্নতির সঙ্গে তাকে জড়িয়ে দুদক অনুসন্ধান করছে বলেও দাবি করেন তিনি। আসিফ মাহমুদ বলেন, চলতি বছরের ১১ মে ১৩৫ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাকে সংশ্লিষ্ট করে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে।
সম্প্রতি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বাণিজ্য ও পদোন্নতিতে দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এ বিষয়ে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দলও গঠন করা হয়েছে।
দুদকের ওই দল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুদ আহমেদের ভূমিকা নিয়েও অনুসন্ধান করবে।

