Thursday, October 8

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির দীর্ঘ পথচলার অবসান হলো। ৩৯ বছর বয়সে জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে শেষ হয়েছে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অধ্যায়। শেষ ম্যাচেও গোল ও অ্যাসিস্ট করে বিদায়টাকে স্মরণীয় করে রেখেছেন মেসি।

আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে মেসির গোল ১২৬টি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি দ্বিতীয়। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৬৯ গোল। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি জাতীয় দলকেও এনে দিয়েছেন একাধিক বড় শিরোপা।

বিশ্বকাপ জয়

মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ। ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় তাঁর বিশ্বকাপের স্বপ্ন। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে জেতেন গোল্ডেন বল।

এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন মেসি। তবে জার্মানির কাছে হেরে সেবার রানার্সআপ হয় আলবিসেলেস্তেরা। ব্যক্তিগতভাবে ওই আসরেও গোল্ডেন বল জেতেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুইবার গোল্ডেন বল জেতা একমাত্র খেলোয়াড়ও মেসি।

২০২৬ বিশ্বকাপেও ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। তবে স্পেনের কাছে হেরে আবারও রানার্সআপ হয় দলটি। ওই আসরে মেসি জেতেন সিলভার বল।

কোপা আমেরিকায় সাফল্য

কোপা আমেরিকাতেও মেসির ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ। ২০২১ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে সিনিয়র জাতীয় দলের হয়ে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালেও আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকার শিরোপা এনে দেন।

এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেননি মেসি। দুই আসরেই রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা। তবে ব্যক্তিগতভাবে ২০১৫ ও ২০২১ সালে গোল্ডেন বল এবং ২০২১ সালে গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি।

অলিম্পিক ও বয়সভিত্তিক সাফল্য

জাতীয় দলের হয়ে মেসির সাফল্যের শুরু সিনিয়র দল দিয়ে নয়। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে ফিফা যুব বিশ্বকাপ জেতেন তিনি। ওই টুর্নামেন্টে গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট—দুটি পুরস্কারই নিজের করে নেন মেসি।

এরপর ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার হয়ে স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। ফলে জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার পাশাপাশি অলিম্পিক ও যুব বিশ্বকাপের শিরোপাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

গোল-অ্যাসিস্টের রেকর্ড

আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল ও ৬৯ অ্যাসিস্ট—এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় জাতীয় দলের হয়ে মেসির প্রভাব কতটা বিস্তৃত ছিল। শুধু গোল

Leave A Reply


Math Captcha
+ 5 = 10