যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান নৌ-অভিযান প্রসঙ্গে নিজেদের কার্যক্রমকে ‘জলদস্যুতা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপের পর মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি জাহাজ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কার্গো ও তেল জব্দ করছে এবং সেগুলো বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “আমরা জাহাজে উঠি, নিয়ন্ত্রণ নিই, কার্গো ও তেল নিয়ে নিই—এটি লাভজনক একটি ব্যবসা।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জলদস্যুর মতো—এক প্রকার জলদস্যুই। তবে আমরা (ইরানের সঙ্গে) কোনো খেলা খেলছি না।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও প্রণালিটি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি বন্দরে জাহাজ চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি ভারত মহাসাগর থেকে দুটি ইরানি জাহাজ জব্দ করেছে—যার একটি পণ্যবাহী এবং অন্যটি তেলবাহী ট্যাংকার।

ট্রাম্প দাবি করেন, সরাসরি সামরিক হামলার তুলনায় এই নৌ-অবরোধ বেশি কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।

তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং জাহাজ জব্দের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়ছে।

Leave A Reply


Math Captcha
1 + 4 =