Friday, November 6

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে তেহরানের একটি হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য ও ধর্মীয় নেতা মোহসেন হায়দারি। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মোজতবাকে উদ্ধার করা হয়।

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হায়দারি এ দাবি করেন। তাঁর বক্তব্যের বরাতে নিউইয়র্ক পোস্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিষয়টি প্রকাশ করেছে।

হায়দারি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলার পর মোজতবাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে তেহরানের তিনটি হাসপাতালে হামলা চালানো হয়। তাঁর দাবি, মোজতবা তৃতীয় হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং হামলার পর সেখানকার ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

হাসপাতাল থেকে উদ্ধারের পর মোজতবাকে অজ্ঞাত একটি স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন হায়দারি। এরপর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে মোজতবাকে উদ্ধারের এই দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গোপন ভোটে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দাবি

আলি খামেনির মৃ’ত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে। হায়দারির দাবি, পরিষদের কুম শাখার কার্যালয়েও হামলা হয়েছিল। এতে কয়েকজন নিহত হন এবং উত্তরসূরি নির্বাচনের কিছু নথি ধ্বংস হয়।

তিনি জানান, পরিষদের সদস্যরা কাগজে নিজেদের ভোট লিখে পরে একটি গোপন স্থানে বৈঠকে অংশ নেন। তাঁর দাবি, তিনিই প্রথম মোজতবা খামেনির নাম প্রস্তাব করেন।

হায়দারির ভাষ্য অনুযায়ী, ৫৯ ভোটের মধ্যে মোজতবার পক্ষে ৫০টি ভোট পড়ে। আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান ৮ ভোট এবং একজন সদস্য ভোটদানে বিরত থাকেন। মোজতবা তখনও জানতেন না যে তাঁকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে; রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণার পর তিনি বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন হায়দারি।

মোজতবা খামেনির বয়স ৫৬ বছর। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক পদ

Leave A Reply


Math Captcha
20 − = 18