Friday, November 6

জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে যাত্রীবাহী একটি ফেরি ডুবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে

। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল নতুন করে আরও চারটি লাশ উদ্ধার করেছে। এখনো হ্রদে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সর্বশেষ চারটি লাশ উদ্ধারের তথ্য জানায়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ধারণা, দেশটিতে এ ধরনের দুর্ঘটনার মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী। মঙ্গলবার জাম্বিয়ার সীমান্তের কাছে প্রবল বাতাসের মধ্যে অতিরিক্ত যাত্রী বহনকারী ফেরিটি উল্টে যায়।

কর্তৃপক্ষের ধারণা, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটিতে প্রায় ১৫৩ জন যাত্রী ছিলেন। তবে ফেরিটির অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ছিল ৯০ জন। দুর্ঘটনার সময় ঠিক কতজন যাত্রী ও নাবিক ফেরিতে ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফেরিটি জিম্বাবুয়ের উত্তরের কারিবা শহর থেকে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত মৎস্যজীবী অধ্যুষিত এলাকার দিকে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ শিশুও প্রাণ হারিয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দুর্ঘটনায় নিহত স্বজনদের শনাক্ত করতে একটি হাসপাতালের বাইরে শত শত মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

দুর্ঘটনার পর জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশটির পরিবহন ব্যবস্থার গুরুতর ঘাটতিগুলো দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ এবং ফেরিতে প্রকৃতপক্ষে কতজন যাত্রী ছিলেন, তা তদন্ত করে দেখছে কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার আগে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 79 = 81