Friday, November 6

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) চালানো এ হামলাকে গত জুনে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে হওয়া চুক্তির পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় আনসার গ্রামে একটি বাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় একই পরিবারের সাতজন নিহত হন। একই দিনে দেইর জাহরানি গ্রামে চালানো আরেক হামলায় চারজন নিহত ও ১৭ জন আহত হন। দুই হামলায় মোট আহত হয়েছেন ১৯ জন।

আগামী মাসের শুরুতে ইতালির রাজধানী রোমে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে অষ্টম দফার সরাসরি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর ঠিক আগে দক্ষিণ লেবাননে এ হামলার ঘটনা ঘটল।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ হামলা চলমান আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় করা চুক্তি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে একটি ‘স্পষ্ট বার্তা’। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আনসার গ্রামের হামলায় একটি পুরো পরিবার নিহত হয়েছে।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালামও হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ইসরাইলকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ উত্তেজনা বন্ধ করার আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, আনসার গ্রামের নিহতরা কোনো সামরিক অবকাঠামোর অংশ ছিলেন না এবং নিহত নারী ও শিশুরাও কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিলেন না।

পালটা জবাবের হুঁশিয়ারি

ইসরাইলি হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিজবুল্লাহ। একই সঙ্গে ইসরাইলের সঙ্গে ‘অপমানজনক’ সরাসরি আলোচনা বন্ধ করতে লেবানন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ অভিযোগ করেছে, ইসরাইল বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করছে এবং নিজেদের ইচ্ছা লেবাননের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এসব কর্মকাণ্ডের ‘উপযুক্ত জবাব’ দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

হিজবুল্লাহ আরও অভিযোগ করেছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজের দেশের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে সংঘাত আরও বাড়াতে চাইছেন।

Leave A Reply


Math Captcha
45 − = 42