Friday, November 6

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত বলে দাবি করা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে।

শুক্রবার ভোরে খামেনি ও তার স্বজনদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হলে সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয় নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই হাজারো মানুষ সেখানে ভিড় করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনের জন্য রাখা কফিনগুলোর মধ্যে খামেনির জামাতা মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি, বড় মেয়ে সাইয়্যেদাহ বুশরা হোসাইনি খামেনি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহও রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, সবচেয়ে ছোট কফিনটির সামনে ১৪ মাস বয়সী জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। কফিনগুলো ইরানের জাতীয় পতাকার রঙে সজ্জিত করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহগুলো দুই দিনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে বিদেশি কূটনীতিক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

এর আগে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন বলে ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

Leave A Reply


Math Captcha
22 − 13 =