Friday, November 6

পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ২৪তম দিনে গড়িয়েছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাওয়ালকোটের ঈদগাহ ময়দানে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-এর নেতা সরদার আমান খান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, অতীতে কাশ্মীরিদের হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তুলে দিয়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী, অথচ এখন তারাই কাশ্মীরিদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিচ্ছে।

ভাষণে তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ-এর একটি কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওই কর্মসূচিতে একে-৪৭ ও তলোয়ার হাতে সশস্ত্র ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে মিছিল করলেও প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিল। অথচ এখন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সরদার আমান খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত ৩৮ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন নতুন মোড় নেবে। তার ভাষায়, তখন এটি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটানোর আন্দোলনে রূপ নিতে পারে।

এর আগে আন্দোলনকারীরা ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অঞ্চলটিকে আর পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখা উচিত নয়। দাবি পূরণ না হলে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়েও ইঙ্গিত দেন তারা।

এদিকে, পিওকের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসী কাশ্মীরিরাও পাকিস্তানের বিভিন্ন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন।

Leave A Reply


Math Captcha
− 3 = 2