রাজধানীর পল্লবী এলাকায় ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু রামিসা আক্তার-র বড় বোনের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে রামিসার পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে পল্লবীর বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি রামিসার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন।
রামিসার বাবার কাঁধে হাত রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
“এই অন্যায়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচার আমরা আগে করতে চাই। এক সন্তানকে আল্লাহপাক নিয়ে গেছেন, আরেক সন্তান আপনাদের কাছে আছে। ওর দিকে তাকিয়ে আপনাদের শক্ত থাকতে হবে, ধৈর্য ধরতে হবে।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের পড়াশোনা ও অন্যান্য ব্যয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন। একই সঙ্গে পরিবারটির নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রামিসার বড় বোনের জীবনের সমস্ত পড়াশোনার খরচ ও আনুষঙ্গিক ব্যয় তিনি বহন করবেন। এছাড়া পরিবারটির জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থাও খুব দ্রুত করা হবে।”
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. আসাদুজ্জামান, আমিনুল হক, শফিকুল ইসলাম মিল্টনসহ আরও অনেকে।
গত মঙ্গলবার মিরপুর-১১ নম্বর এলাকার একটি ভবন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার পর সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে সোহেল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

