Friday, November 6

রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলকে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থার আওতায় আনতে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৫-এর সাউদার্ন রুট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

‘ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): সাউদার্ন রুট’ শীর্ষক প্রকল্পটি এখন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠেয় চলতি অর্থবছরের একনেকের তৃতীয় সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওয়াহাব বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত একটি নতুন এমআরটি করিডর চালু হবে।

যেসব এলাকা যুক্ত হবে

প্রস্তাবিত এমআরটি রুটটি গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও হয়ে আফতাব নগরের দিকে যাবে।

এরপর আফতাব নগর সেন্টার, আফতাব নগর ইস্ট ও নাসিরাবাদ হয়ে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এই করিডর বিস্তৃত হবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বিদেশি ঋণ

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।

প্রকল্পের আওতায় মূল এমআরটি লাইন ও স্টেশন নির্মাণ, ডিপোর সিভিল ও ভবন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা, রেলওয়ে ব্যবস্থা, রোলিং স্টক এবং ডিপো সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া ইউটিলিটি স্থানান্তর, পরামর্শক সেবা, ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনসহ প্রকল্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

যুক্ত হবে অন্যান্য এমআরটি লাইনের সঙ্গে

প্রস্তাবিত সাউদার্ন রুটটি এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দার্ন রুট এবং এমআরটি লাইন-১-এর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর ফলে যাত্রীরা একাধিক এমআরটি করিডরের মধ্যে সহজে স্থানান্তর করতে পারবেন। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, এসব আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মধ্যে দ্রুত ও সমন্বিত গণপরিবহন যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

একই সঙ্গে উত্তর-

Leave A Reply


Math Captcha
77 − = 75