Friday, November 6

সৈয়দ আককাস উদদীন, সাতকানিয়া

সাঙ্গু বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। তার উৎপত্তি বান্দরবানের গহীনে সাঙ্গু-মাতামুহুরি রিজার্ভ ফরেস্টের মধ্যে। এই নদী ফরেস্টের অন্তর্ভুক্ত আন্ধারমানিক থেকে লিক‌রি পেরিয়ে সাঙ্গু নদী থেকে আরও দূরে মাতাদুসরি, ব্রুংক্ষিয়াং, তংক্ষিয়াং, লাগপাই ও থাকব্রো ঝিরির সঙ্গে মিলেছে। 

দেশের একমাত্র কুমারী বন (ভার্জিন ফরেস্ট) বান্দরবানের সাঙ্গু সংরক্ষিত বন। ১৮৮১ সালে ৮২ হাজার ৮০ একর আয়তনের বনকে সংরক্ষিত হিসেবে ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার। বনটির রক্ষণাবেক্ষণের রাতদিন খেটে যাচ্ছে থানচি রেঞ্জের রেঞ্জার ইসরায়েল হোসেন।

থানচির রেঞ্জের অধীনেই হচ্ছে সাঙ্গু রিজার্ভ তথা দেশের একমাত্র কুমারী বন, সেহেতু দেশের এই ভার্জিন ফরেস্টকে বাঁচানোর দায়িত্ব অর্পণ হয়েছে থানচির রেঞ্জের রেঞ্জার মি. ইসরায়েলের উপর।

ইসরায়েল যোগদান করেছেন মাত্র ৩মাস চলছে, এই তিনমাসেই অনেকটা থানচি উপজেলার চিহ্নিত পাহাড় খেকো ও অবৈধ কাঠ পাচারকারীদের ঘুম নষ্ট করে দিয়ে কথিত সিন্ডিকেটকে রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় থানচির রেঞ্জার সাঙ্গু রিজার্ভকেই তার চিরচেনা রূপে ফিরাতে যোগদানের  তিন মাসে মোট ২০টি অভিযান পরিচালনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট বনখেকোদের বিরুদ্ধে তিনি ২টি বন আইনে বন মামলা দায়ের করেন।

শুধু তাই নয়- থানচি রেঞ্জের নথিপত্র ঘেঁটে আরো দেখা যায়, মাত্র অল্পদিনেই ৬লক্ষ টাকার কাঠ জব্দ করেন। তারমধ্যে রয়েছে মহামূল্যবান  সেগুন গোল কাঠ। ওই অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন দায়িত্বরত বিজিবিরা।

এই বিষয়ে স্থানীয়দের একজন জানান,গ ত ১বছরে মধ্যে এই প্রথম  থানচি রেঞ্জে সেগুন গোল কাঠ রেঞ্জার ইসরায়েলের  অভিযানে ধরা  পড়েছে। সেটা যদি আরো আগে অভিযানটা হতো সচরাচর এখন যে বদনাম ওঠছে সেটা বন্ধ হয়ে যেত।

তিনি আরো বলেন,  ২০১৬ সা‌লে সাঙ্গু রিজার্ভ ফরেস্টের দা‌য়ি‌ত্বে থাকা বিভাগীয় কর্মকর্তা  ফ‌রিদ মিয়ার নেতৃ‌ত্বে থানচির ইয়াং‌রি এলাকা থে‌কে ক‌য়েক হাজার ফুট গাছ জব্দ ক‌রা হয়। প‌রে সেগুলো নিলা‌মে বিক্রি করা হয়। এ ঘটনায় থান‌চি রেঞ্জ কর্মকর্তা‌কে বদ‌লি করা‌ হয়েছিল। তবে তৎকালীন রেঞ্জার ঘটনায়  কোন  মামলা করেননি। এক্ষেত্রে বর্তমান রেঞ্জার ইসরায়েল হোসেন সেগুন গোল কাঠ জব্দ করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন।

এদিকে আরো জানা যায়, অভিযান শুধু থানচি উপজেলার বনখেকোদের বিরুদ্ধে নয়।  রেঞ্জার  ইসরায়েল হোসেনের অভিযানের থাবা পড়েছে থানচি উপজেলায় লাকড়ি জ্বালানো ইটভাটাতেও।

গত ২৫শে ডিসেম্বর একটি ইটভাটা থেকে ১২০০ ঘনফুট জ্বালানি জব্দ করেন ।

তথ্যে দেখা যায়, ওই একটি মাত্র ইটভাটা আছে এই থানচি  উপজেলায়। বিভিন্ন সময় পাহাড়ের মাটি আর বনের কাঠকে পুঁজি করে অনেকেই এই রেঞ্জের অধীনে ইটভাটা চালু করার জন্য চেষ্টা চালালেও অবশ্যই তা বান্দরবান বনবিভাগ সেটা করতে দেয়নি বলেও সূত্র জানিয়েছেন।

জানা যায়, ১৮৮১ সালে ৮২ হাজার ৮০ একর আয়তনের বনকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল  হিসেবে ঘোষণা করেন তৎকালীন সরকার। বান্দরবান বন বিভাগে মঞ্জুরীকৃত পদ রয়েছে মোট ১৪৮টি। বন বিভাগের ২০২৫ সালের জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই বিভাগে ৮৮টি পদই শূন্য রয়েছে।

বনবিভাগের তথ্যমতে, জনবল সংকটের মধ্যেই নতুন চারটি বিট অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ। বান্দরবান বন বিভাগের থানচি রেঞ্জের সাঙ্গু রিজার্ভের  আওতাধীন থাকবে ওই বিট অফিসগুলো। এছাড়া তুমব্রু সীমান্তের কাছে ১০৮ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। যার ৪৫ কিলোমিটারই পড়েছে সংরক্ষিত বনের মধ্যে। এরই মধ্যে নতুন বিট অফিস স্থাপনের অনুমোদনের সঙ্গে সরকার জনবলও নিয়োগ দিয়েছে বলে বনবিভাগের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে  নিশ্চিত করেছেন।

বন বিভাগের তথ্য বলছে, সংরক্ষিত এই সাঙ্গু  বনাঞ্চলে ৩৬ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৪৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৯ প্রজাতির উভচর এবং ১১ প্রজাতির বিরল পাখি ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

সরেজমিনে গেলে চোখে পড়ে, জীববৈচিত্র্যে ভরপুর এ বনে বিভিন্ন আকারের গাছ, বিভিন্ন স্তরের ছাউনি এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা আপন গতিতে বেড়ে উঠেছে।

বিভিন্ন সময় বনের মূল্যবান কাঠ পাচারের অভিযোগও রয়েছে  ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে । তা অবশ্যই আশির দশক থেকে শুরু হয় এ অভিযোগ। শুরুতেই কাঠ পাচার নৌপথে হলেও পরবর্তী সময়ে তা যুক্ত হয় সড়ক পথে। তা ঠেকাতে বা বন রক্ষায় বন বিভাগ তৎপর রয়েছে সেটাও প্রতীয়মান ।

এদিকে, তৎপরতার অংশ হিসেবে ৩মাস আগে এই অঞ্চলের বনবিভাগে চৌকস রেঞ্জার হিসেবে পরিচিত ইসরায়েলকে  কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ থেকে থানচির এই রেঞ্জের দায়িত্বে  আনা হয়।

ইতোপূর্বে তিনি  চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ হাসনাবাদ রেঞ্জে , মিরসরাই রেঞ্জের হিঙ্গলি বিট, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শ কাতর জালিয়াপালং বিট, এবং  লিঙ্করোড বিট ও দরিয়ারদিঘী বিটেও  অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 রেঞ্জার ইসরায়েল দায়িত্বে আসার পর থেকে কাঠ পাচার যেমন থেমে গেছে-  তেমনি দেশের কুমারী বন নামে বিখ্যাত থানচির রেঞ্জের অধীন সাঙ্গু রিজার্ভ ফিরে পেয়েছে তার হারিয়ে যাওয়া যৌবন। সংরক্ষিত বনাঞ্চল সাধারণত প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বনজ সম্পদ রক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত থাকে।

এ কারণে সংরক্ষিত বনে নতুন কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে স্থাপনা নির্মাণ হতে পারে। এর মধ্যে সড়ক নির্মাণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন বা অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের জন্য বনভূমি ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বন বিভাগ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এবং পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব বিবেচনা ও মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত দেয়।

জনবল সংকট,  জনবল পেলে কুমারী বন সাজবে

বন বিভাগ সূত্র বলছে, বর্তমানে থানচি রেঞ্চ ও সাঙ্গু সংরক্ষিত বন রক্ষায় একজন ফরেস্টারসহ ২টি পদে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।  প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় যে, যেখানে একজন ফরেস্ট রেঞ্জার ইসরায়েলের  নেতৃত্বে বর্তমানে ১০টি পদ রয়েছে।  তবে অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বান্দরবান ডিভিশনে পদ রয়েছে ১৪৮টি। জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী এর মধ্যে শূন্য রয়েছে ৮৮টি পদ।

মূলত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সাঙ্গু সংরক্ষিত বন সংরক্ষণে থানচি রেঞ্জের অধীনে  সাঙ্গু রিজার্ভের নিরাপত্তায় নতুন চারটি অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

কোথায় বসবে বিট অফিসগুলো

বিট অফিসগুলোর মধ্যে রয়েছে বড় মদক বিট অফিস, লইক্রে পাড়া, ৬৯ পিলার সীমান্ত সড়ক বিট অফিস ও ৬৩ পিলার সীমান্ত সড়ক বিট অফিস।

দেখা মিলছে বিলুপ্তিপ্রায় প্রাণীও

 এদিকে, থানচির রেঞ্জের সাঙ্গু রিজার্ভের অতীত পর্যালোচনায়  দেখা গেছে,  বাস্তুহারা ও ছত্রভঙ্গ হয়ে তৃণভোজী, নিশাচরসহ একাধিক বিলুপ্তিপ্রায় প্রাণীও হুমকির মধ্যে ছিলো।  তবে বর্তমানে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়- নিশাচরসহ একাধিক বিলুপ্তি  প্রাণীগুলোর পদচিহ্ন এখনো টিকে আছে শুধু মাত্র এই সাঙ্গু রিজার্ভে।  কয়েকদিন ধরে সাঙ্গু রিজার্ভ নিয়ে কাজ করার সময় দেখা মেলে  গন্ডার, কালো চিতাসহ  উল্লেখযোগ্য আরো কিছু প্রাণীর।

জানতে চাইলে স্থানীয় কয়েকজন  বলেন, ‘সাঙ্গু সংরক্ষিত বনে এখনো বড় বড় চাঁপাফুল গাছ আছে, যা আট-১০ জন মানুষ ঘিরে ধরেও বেড় মেলাতে পারবে না।  চাঁপার মতো বড় প্রজাতির গাছের মধ্যে জারুল, গর্জন, চাপালিশ, গোদা, গুটগুটিয়া, লালি, বৈলামসহ আরো বেশ কয়েক প্রজাতির বনজ ও ফলদ বৃক্ষ রয়েছে।

আছে ধনেশ পাখি, বাদুড়, টিয়া ও বুনো হাতি

বনে এখনো দেখা মেলে ধনেশ পাখি, বাদুড়, টিয়া, ময়না, বন ছাগল, ভালুক, চিতা বাঘ, সজারু, বন মুরগি, মথুরা, বন বিড়াল, গুইশাপ, অজগর, কিং কোবরা, জংলি বড় কচ্ছপ, ঝিরির পাশের গর্তে থাকা ছোট আকারের রঙিন কচ্ছপ।

এছাড়া কখনো কখনো সাঙ্গু সংরক্ষিত বনে বুনো হাতির বিচরণও দেখা যায়। সবমিলিয়ে এই দৃশ্য যেন কুমারী বনেরই প্রতিচ্ছবি, অনেকেই জানিয়েছেন কুমারী এই বনকে নিজের সন্তানের মতো লালন করার একটা প্রয়াস দেখতে পাচ্ছি রেঞ্জার ইসরায়েল হোসেনের ভেতর এমনটাও মন্তব্য করেন তারা।

তারা আরও বলেন ইসরায়েল মাত্র ২জন লোক নিয়ে এই বিশাল সাঙ্গু রিজার্ভ পাহারা দিচ্ছেন তবুও তার ইচ্ছের কমতি নেই, তবে তাকে (ইসরায়েল) উপযুক্ত লোকবল দিলে এই সাঙ্গু রিজার্ভ পুরো বাংলাদেশে মাথা উঁচু করে পরিচয় দিতে পারবে বলে আমরা থানচিবাসী মনে করি।

পরিবেশবিদরা জানিয়েছেন,  এই বনের ভেতরে একটি বৈলাম গাছের বেড় অন্তত ১২থেকে ১৪ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।

এদিকে দায়িত্বরত রেঞ্জার ইসরায়েল হোসেন বনের নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের একমাত্র  কুমারী বনের অভ্যান্তরীণ  বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে নারাজ। তবে তিনি এতটুকু বলেন যে,  কিছু কিছু  সংরক্ষিত সাঙ্গু বনে  এমনও বনায়ন আছে যেখানে  এখনো মানুষের পা পড়েনি। এমনকি সূর্যের আলোও পৌঁছেনি।

সাঙ্গু রিজার্ভে রক্ষায় তার কর্মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বনবিভাগ আমাকে দেশের একমাত্র কুমারী বনটিকে দেখাশোনা করার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন। এতবড় দায়িত্ব পালন করার জন্য একজন ব্যক্তি হিসেবে আমি সর্বোচ্চটা দিয়ে যাচ্ছি। যা আপনারা আমার অনুপস্থিতিতে খোঁজখবর নিয়ে দেখেন এবং এই এলাকা এত দূর্গম যে নেটওয়ার্ক পর্যন্ত থাকেনা কিছু কিছু জায়গায়। তবুও আমার উপর অর্পিত বনবিভাগের এই পবিত্র দায়িত্বটাকে নিয়েই দিনযাপন করে যাচ্ছি।

পাশাপাশি বনের এরিয়ায় আগে থেকে বসতি করে থাকা এই জনপদের স্থানীয় উপজাতিদের তিনি নতুন বাড়িঘর নির্মাণ না করার জন্য ও জুম চাষে যাতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ক্ষতি না হয় সেজন্য নিয়মিত উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায় ৫/৬টি ঘর নিয়ে নিয়মিত বৈঠক করেন।

এবং  তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন এমন কিছু ফুটেজও স্থিরচিত্র প্রতিবেদকের টীমকে দেখান।

রেঞ্জার ইসরায়েল হোসেন আরো বলেন, এখানে যারা বসবাস করে আসছেন তারা আমাকে কথা দিয়েছেন যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের স্বার্থে বনবিভাগ যদি তাদেরকে কোথাও সুবিধাদী দিয়ে পুনর্বাসন করে দেয়, তাহলে তারা এই অঞ্চল ছেড়ে দিবেন।

বিষয়টি আমি আমাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি।

কুমারী বন রক্ষার্থে  নতুন চারটি বিট অফিস স্থাপনের বিষয়ে বন বিভাগ বান্দরবানের বিভাগীয় কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম  বলেন, ‘সীমান্ত সড়ক নির্মাণ হচ্ছে, এ কারণে বনে যাওয়া-আসা জনসাধারণের জন্য সহজ হয়ে যাবে। বন নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই সড়কগুলোর অভিমুখে বা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারির জন্য অফিসের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। নতুন অফিস হলে সরকার জনবল দেবে। এরই মধ্যে নতুন নতুন ফরেস্ট রেঞ্জার (এফআর) নিয়োগ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ইসরায়েল হোসেন সাহেব অল্পদিনে বেশ কয়েকটা অভিযান পরিচালনা করেছেন সেটা সত্য, এবং কয়েকটা মামলাও দিয়েছেন। তার লোকবল সংকট সে (ইসরায়েল)সহ মাত্র ৩জন আছেন এত বড় সাঙ্গু রিজার্ভ ও রেঞ্জের দায়িত্বে।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 39 = 42