বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন দুই তারকা ফরোয়ার্ড—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হলান্ড। খেলার ধরনে দুজনের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য থাকলেও, ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারেন দুজনই।

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিলের হয়ে ইতোমধ্যে চার গোল করেছেন তিনি। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করে হয়েছেন ম্যাচসেরা। জাপানের বিপক্ষে গোল না পেলেও আক্রমণে দাপট দেখিয়ে প্রতিপক্ষ রক্ষণে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন।

অন্যদিকে বিশ্বকাপে অভিষেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। এখন পর্যন্ত পাঁচ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন তিনি। দেশের হয়ে সর্বশেষ ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে টানা গোল করে মোট ২৫ বার জালের দেখা পেয়েছেন এই স্ট্রাইকার।

নরওয়ে কোচ স্তালে সলবাকেন বলেছেন, বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকার তাঁর দলেই খেলেন। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডও হলান্ডকে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে বলেছেন, তাঁকে যত বেশি সুযোগ দেওয়া যাবে, ততই লাভবান হবে নরওয়ে।

তবে ব্রাজিল শিবিরে হলান্ডকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার কথা মানতে রাজি নন ফরোয়ার্ড মাতেউস কুনিয়া। তাঁর ভাষায়, “আমরা শুধু হলান্ডকে নিয়ে ভাবছি না। নরওয়ে দলে আরও অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে।”

অন্যদিকে নরওয়ে কোচ সলবাকেন স্বীকার করেছেন, ভিনিসিয়ুসকে থামানোই তাঁদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “সব দলই এখন ভাবছে ভিনিসিয়ুসকে কীভাবে থামানো যায়। তবে কাজটা মোটেও সহজ নয়।”

লা লিগায় সেভিয়ার হয়ে ভিনিসিয়ুসের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিলান্ড অবশ্য আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, “আমাদের সামর্থ্য আছে যে কাউকেই থামিয়ে দেওয়ার।”

সব মিলিয়ে আজকের ম্যাচটি শুধু ব্রাজিল-নরওয়ের লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দুই সেরা আক্রমণভাগের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হলান্ডের ব্যক্তিগত দ্বৈরথও হতে যাচ্ছে। দুই তারকার পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করতে পারে কে উঠবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

Leave A Reply


Math Captcha
15 − 12 =