নাঙ্গলকোট উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক সাব্বির আহমদ উপজেলার শ্রীহাস্য ছিদ্দিক আলী মোয়াল্লেম শাহ হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও জনতরী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তরুণী দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে ওষুধ সেবন করানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তরুণীকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক জানান, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। পরে তরুণীর ইশারায় অভিযুক্ত শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়।
এরপর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এর ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন।
নাঙ্গলকোট থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একে ফজলুল হক জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

