নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌরসভা প্রাঙ্গণে টিসিবি পণ্যের ট্রাকের অপেক্ষায় ছিল শতশত নিম্নআয়ের মানুষ। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ট্রাক না আসায় খালি হাতে ফিরে যেতে হয় অনেককে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, তীব্র রোদ উপেক্ষা করে রোজা রাখা মানুষ টিসিবি পণ্যের আশায় ভিড় জমিয়েছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সকাল ১১টার দিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-এর একটি ট্রাক এসে মাত্র ৪০০ জনের মধ্যে পণ্য বিতরণ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এরপর আর কোনো ট্রাক আসেনি। বিষয়টি জানার পরও অনেকে আশায় দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।
পৌরসভার সাউদপাড়ার বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, সকালে টিসিবির ট্রাক এসে পণ্য দিয়ে চলে গেছে। কিন্তু যে পরিমাণ পণ্য দেওয়া হয়, তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
স্থানীয়রা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাতুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বাজার তদারকি জোরদার ও চাহিদা বিবেচনায় কেন্দুয়ায় পুনরায় টিসিবি পণ্য সরবরাহ জরুরি।
সীমা আক্তার নামের এক বাসিন্দা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক টিসিবি পণ্যের পরিমাণ বাড়ানো উচিত এবং যারা এখনো সুবিধা পাননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
পৌরসভার টিসিবি-সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকার থেকে যে পরিমাণ পণ্য বরাদ্দ এসেছে, তা নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে। তবে চাহিদা বেশি হওয়ায় অনেকেই পণ্য পাননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জীবন বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য টিসিবির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও পরিকল্পিত করা প্রয়োজন।

