Tuesday, November 3

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ ও বিজিবি ধাওয়া দিলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। সংঘর্ষে বিজিবির এক সদস্য আহত হয়েছেন। হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরাও। ভাঙচুর করা হয়েছে টেলিভিশন সাংবাদিকের ক্যামেরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে গাজীপুরের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকদের সরাতে ধাওয়া দেয় পুলিশ ও বিজিবি। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। জবাবে আন্দোলনকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে বিজিবির এক সদস্য আহত হন।

এরপর বেলা ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন সময় টেলিভিশনের প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসন। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের ক্যামেরা। এর আগেও আন্দোলন চলাকালে একাধিক সাংবাদিকের ওপর হামলা, মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে গাজীপুরের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে বিজিবি, জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও শিল্প পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, আজও শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

Leave A Reply


Math Captcha
+ 39 = 45