অনলাইন ডেস্ক | ঢাকা

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে গলা কেটে ও দেহ দ্বিখণ্ডিত করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত শিশুটি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার এক রিকশা মিস্ত্রির মেয়ে। সে পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর ওই বাসায় থাকত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় অন্য কেউ ছিল না। পরে বাসার শৌচাগার (টয়লেট) থেকে শিশুটির ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মরদেহটি দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় ছিল। তবে হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার জানা যাবে।

এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানা নামের এক প্রতিবেশীকে খুঁজছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করেছে পুলিশ।

পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন ঘটনাস্থল থেকে সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমরা একটি শিশুর গলা কাটা ও দ্বিখণ্ডিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন সোহেল রানা নামের একজন পালিয়ে গেছেন, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

পুলিশ জানায়, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Leave A Reply


Math Captcha
− 2 = 1